ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বিনা অনুমতিতে বালু স্তুপ করে বিক্রি ও ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি ভেকু জব্দ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কেরানীগঞ্জ মডেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়ার নেতৃত্বে কলাতিয়া ইউনিয়নের গোয়াডুলি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদীর পাড়ে অবৈধভাবে বালু স্তুপ করে বিক্রি এবং মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযানে ব্যবহৃত একটি ভেকু জব্দ করা হলেও সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে কলাতিয়া এলাকায় নদীর তীরবর্তী স্থান থেকে বিনা অনুমতিতে বালু উত্তোলন করে স্তুপ করা হচ্ছিল এবং তা বিক্রির মাধ্যমে পরিবেশ ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে মাটি কাটার ফলে আশপাশের ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে আসে।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়া বলেন, অবৈধভাবে বালু স্তুপ করে বিক্রি ও মাটি কাটার সঙ্গে কলাতিয়া ইউনিয়নের আওয়াল মেম্বারসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাস্থলে তাদের না পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিবেশ ধ্বংস ও কৃষিজমি নষ্টের মতো অনিয়ম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
অভিযানে কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মোতালেবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।