• ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Daily Jonokotha

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ [ppsp_buttons]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থাপিত তোরণ, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনসহ সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণে নতুন করে নির্দেশনা জারি করেছে সংস্থাটি।

১০ ডিসেম্বর বিকেলে নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশনা সকল জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত সময়ের বাইরে কোনো ধরনের প্রচার সামগ্রী রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, যা আচরণবিধির সরাসরি লঙ্ঘন।

ইসি সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাইয়ের পর বহু এলাকায় প্রার্থীদের সমর্থকরা তোরণ, ব্যানার, ডিজিটাল পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে রাখছেন। এতে একদিকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচন আচরণবিধির প্রতি প্রকাশ্য অমান্যতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়,

নির্বাচনী এলাকার সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সড়ক-মহাসড়ক, বাজার ও জনসমাগমস্থলে যেসব তোরণ ও প্রচার সামগ্রী স্থাপন করা হয়েছে, তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মনিটরিং করবেন এবং অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে কমিশনকে অবহিত করবেন।

নির্দেশনা অমান্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জানান, নির্দেশনা জারির পরপরই বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু হয়েছে। নির্বাচনী পরিবেশ স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক রাখতে কমিশন যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে, এই উদ্যোগ তারই অংশ।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, সময়োচিত এই পদক্ষেপ নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষা এবং সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে। এতে নির্বাচন ঘিরে অযাচিত প্রভাব বিস্তার কমবে এবং আচরণবিধি বাস্তবায়নে কঠোরতা আরও বাড়বে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে কতটা কার্যকর হয়—এখন সেটাই দেখার বিষয়।